Know info before watch, but no Spoiler

Showing posts with label Triller. Show all posts
Showing posts with label Triller. Show all posts

A Quiet Place (2018) মুভি রিভিউ


সিনেমার প্রথম ৪০ মিনিটে কোনো সংলাপ নেই !

সিনেমার শুরুটা হয় নি:শব্দে । এক স্টোরে দেখা যায়,  এক ফ্যামিলি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিচ্ছে । তবে খুবই সাবধানে ! বিন্দুমাত্র শব্দ যেনো না'হয় সেভাবে ! তাদের ছেলে এক খেলনা ব্যাটারি দিয়ে চালাতে চাইলে , চালাতে দেওয়া হয় না ! আওয়াজ হবে বলে !

সকল কিছু নেওয়া শেষ হলে তারা তাদের বাসার উদ্দেশে রওনা দেয় । এদিকে সেই বাচ্চা ছেলেটি খেলনাটি চালু করে হঠাৎ করেই ! তাঁর বাবা দ্রুত তাকে রক্ষা করতে যাবার আগেই এক অদ্ভুতুড়ে প্রাণী এসে তাকে নিয়ে চলে যায় !

আর যাই হোক, কোনোপ্রকার শব্দ তৈরি করা যাবে নাহ ! শব্দ শুনলেই চলে আসবে সেই প্রাণী ! মেরে ফেলবে শব্দের  সৃষ্টিকারীকে !
অর্থাৎ, শব্দ হলেই মৃত্যু !
কিভাবে সেই ফ্যামিলির মেম্বাররা বেঁচে থাকে কোনোপ্রকার শব্দ না করেই ?!

দুর্দান্ত হরর থ্রিলার ! কনসেপ্ট তো খুবই চমৎকার ! এবছরের অন্যতম সেরা সিনেমা, নিঃসন্দেহে !

Forgotten 2018 মুভি রিভিউ



"টুইস্ট" শব্দটাকে আপনি কিভাবে সঙগায়িত করবেন? একটু ভাবতে হবে তাই তো? কথা দিলাম এই মুভি দেখা শেষে নিজেই এই শব্দটার সঙগা, ব্যাখ্যা, যা খুশি দিতে পারবেন তাও আবার দ্বিতীয়বার না ভেবেই। ঠিক শেষ মুহূর্তেও টুইস্ট আছে এমন এক মুভি এটা, তো এই মুভি খাবেন কিনা তা আপনার ব্যাপার ভাই আমি আমার অপিনিয়নটাই শেয়ার করলাম মাত্র।

কোরিয়ান মুভি মানেই যেখানে মাস্টারপিসের গুদাম সেখানে এই মুভি আপনাকে বোঝাবে মাস্টারপিস আসলে জিনিষটা কি? খায় না গায়ে দেয় ? মুভি দেখার শেষে নিজেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করবেন, আপনি কি সেই মানুষ যাকে আপনার স্মৃতি চেনে, নাকি আপনি আয়নার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা সেই অপার্থিব অজানা ব্যাক্তি। 🤐

কাহিনী (স্পয়লারহীন) ➡️
এক বৃষ্টির রাতে জিনসোকা দেখে একদল লোক তার বড় ভাই ভাই ইউসোকাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাচ্ছে। সে গাড়ির নাম্বার প্লেট মুখস্থ রাখলেও পুলিশ জানায় ওই প্লেটের কোনো গাড়িই নাকি নাই। ঠিক ১৯ দিন পর ইয়োসোকা বাড়ি ফেরে। কিন্তু কিডন্যাপড হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কিছুই তার মনে নেই । জিনসোকা তার ভাইয়ের নানা ব্যাপার লক্ষ্য করার মাধ্যমে খেয়াল করে যে, এতদিন যেই ভাইকে সে চিনে আসছে সে এই ব্যাক্তি নয়। হয়ত এই লোক তার ভাইই নয়। সে তার লক্ষ্য করা ব্যাপারগুলো তার মাকে জানায়। কিন্তু সেইদিন রাতে মোবাইলে তার মাকে আশ্চর্যজনক কথাবার্তা বলতে শুনে সে বুঝতে পারে যে, তার মা এইসব আগে থেকেই জানতেন এবং সেই ব্যাক্তি আসলে কে তাও জানেন। তারমানে কি এই মহিলা তার মা নন ? সে কাউকেই আর বিশ্বাস করতে পারে না। তাই বাড়ি থেকে পালাতে যায় এবং রাস্তায় তার বাবার সাথে দেখা হয়। তার বাবার ব্যাবহার এবং মায়ের সাথে একাত্মতা দেখে এইটা বুঝতে আর বাকি থাকে না যে এই ব্যাক্তি তার বাবাই না।
তারমানে কি, এতদিন ধরে যাদের নিজের ফ্যামিলি ভেবে এসেছে তারা তার ফ্যামিলিই না!!! এটা কি করে সম্ভব? আর এই লোকজন যদি তার ফ্যামিলি না হয় তাহলে কি তারা এতদিন অভিনয় করে আসল? কেনই বা করবে? কিই বা চায় তারা তার কাছে?

কি ভাবছেন সব টুইস্ট দিয়ে দিলাম? আরেহ দাঁড়ান ভাই এই মুভির টুইস্টগুলা গুনতে গেলে আপনার আঙ্গুল ব্যথা হয়ে যাবে । টুইস্টের উপর টুইস্ট খেতে খেতে যখন ভাববেন খেলা তাহলে শেষ, ঠিক তার পরের মুহূর্তেই মনে হবে আরেহ খেলা তো শুরু হইসে মাত্র (🤘)। কি সেই খেলা আর কোথায় তার শেষ সেটা জানতে দেখে ফেলুন মুভিটি। আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্য না থাকায় পরিবার সমেত রোজার সময়েই দেখতে পারবেন মুভিটি। 

SPYDER (2017) মুভি রিভিউ


'
প্রথম কথা হচ্ছে বিশেষ করে থ্রিলার মুভিগুলোর ক্ষেত্রে ভাষা যদি না বুঝা যায় তাহলে সিনেমা টাতে কি ঘটছে তা বুঝা মারাত্বকভাবে অসম্ভব । এদিকে এ আর মুরুগদসের অধিকাংশ মুভিই ভাষা না বুঝার কারনে পুরোপুরি ইনজয় করাও মারাত্বকভাবে অসম্ভব । তবে তার ছবিগুলো যে একেক টা মাস্টারপিস তা বলার অপেক্ষা রাখে না !
'
এ আর মুরুগদসের এ বছরের অন্যতম বড় ধামাকা স্পাইডার । ছবিটি দেখার পর  সত্যি বলতে মূল গল্পটা মোটামুটি মাথায় ঢুকছে আর কি ! তাছাড়া গোটা মুভিটার কিচ্ছু বুঝি নাই !! তবে সম্পুর্ন মুভিটা দেখার পর এটাই বলব যে এই মুভির হিন্দী ডাবড অথবা বাংলা সাব এর জন্য আমি চরমভাবে অপেক্ষায় ।
'
এই মুভিটা নিয়ে বলতে গেলে প্রথমেই আমি বলব এই মুভির অ্যাকশন সিকোয়েন্স । মুভিতে কিন্তু কোন আট দশটা তেলেগু ছবির মত কোপা শামসু টাইপের অ্যাকশন দৃশ্য নাই । তবে এই মুভিতে যে ধরনের অ্যাকশন দৃশ্য দেখানো হয়েছে তা আমার মতে ইন্ডিয়ান সিনেমার অন্যতম সেরা অ্যাকশন দৃশ্য । পুরাই রক্ত ঠান্ডা করে দেওয়ার মত সিকোয়েন্স ।
'
অভিনয়শিল্পীদের পারফরমেন্স বলতে গেলে দুইজনের নামই বলতে হবে কারন এই দুইজনকে নিয়েই পুরো সিনেমাটা । একদিকে সুপারস্টার মাহেশ বাবু তার অন্যান্য ছবিগুলোতে যেভাবে হাজির হয় এই ছবিতেও সেভাবেই তাকে পাওয়া গেছে । আর এ ধরনের চরিত্রে মাহেশ বাবুর চাইতে বেটার না খোজাই ভাল । অন্যদিকে ছবির ভিলেন এস জে সুরিয়ার পারফরমেন্স খুবি প্রশংসনীয় এবং খুব ইনজয়বল ।
'
স্পাইডারের মিউজিক পরিচালনায় ছিলেন হারিস জয়রাজ এবং এ ছবিতে তার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক পুরাই বাও রে বাও !! এক কথায় ছবির বিজিএম সুপার্ব !!
'
এ ছবির দুর্দান্ত ক্লাইম্যাক্স ছবিটাকে অন্য এক লেভেলে নিয়ে গেছে । ক্লাইম্যাক্স সম্পর্কে শুধু একটাই কথা বলব আর তা হচ্ছে পুরাই বেস্ট ! ও আরেকটা কথা ছবির ক্লাইম্যাক্সে মাহেশ বাবু ভিলেন সুরিয়াকে একটা পাঞ্চ মারে সেই দৃশ্যটা রোমান রেইন্সের সুপারম্যান পাঞ্চের চাইতেও মর্মান্তিক ।
'
অবশেষে আবারো বলছি স্পাইডারের হিন্দী ডাবড অথবা বাংলা সাব এর জন্য চরমভাবে অপেক্ষায় আমি ।
'