Know info before watch, but no Spoiler

Showing posts with label Hindi. Show all posts
Showing posts with label Hindi. Show all posts

Sui Dhaga Movie Review


লিড রোলে আনুস্কা শর্মা (যার অভিনয় শর্মা কাবাবের মতোই টেস্টি) আর বরুন ধাওয়ান (নাহ্ এই ছেলে খালি এন্টারটেইনিং আর ওভার দ্য টপ এক্টিংই করে না হৃদয় টাচ করা এক্টিং করা এক্টিংটাও পারে)
কাহিনী নির্যাসঃ একজন লুজার মওজি আর তার অতি সহনশীল বুদ্ধিমতী স্ত্রী মমতার কাহিনী। যারা নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একসময় তাদের স্বপ্নে সফল হয়।
আনুস্কা আগেও নিজেকে ভাংসে কিন্ত গ্ল্যামারের মধ্যে থেকেই। ২০১৮ তে পারি,সুই ধাগা এরপরে জিরো তিনটাতেই নন গ্ল্যামারাস পুরাপুরি ডিফারেন্ট তিনটা ক্যারেক্টার করলো এত ভার্সেটালিটি আর কোন বলিউড একট্রেস রিসেন্ট টাইমে দেখাইসে মনে পড়ে নাই তবে আলিয়াও যথেস্ট ভার্সেটাইল। বরুন ধাওয়ান এরে শুরুর থেকে ২০১৭ পর্যন্ত দেখলাম এক বদলাপুর ছাড়া সব একই রকম ক্যারেক্টার করতে।২০১৮ তে অক্টোবর এরপরে এই সুই ধাগা দেখার পরে মনে হইলো এই ছেলেরে এতদিন খালি সালমান খান যেগুলা বয়সের কারণে করতে পারতো না খালি সেগুলার জন্য ব্যাবহার করতো। নিজের আইডেন্টিটি ক্রিয়েট করার চেষ্টা করসে ২০১৮ তে এসে। বলিউড ইজ ইন সেফ হ্যান্ডস নিউ জেনারেশন ও এক্টিং পারে।

মুভিটা মাটি ঘেষা। লাস্টে ফিল গুড ফিলিংস হয়।

২০১৮ আসলে বলিউডের জন্য ভালো অর্থে ট্রানজিশনাল পিরিয়ড। খানদের ঝা চকচকে মুভিগুলার ভরাডুবি হইসে আর এইরকম কন্টেন্ট নির্ভর মুভি মানুষকে টানসে,হিট হইসে। যদিও আমি শাহরুখের ফ্যান তাও ব্যাপারটায় খুশি।

মাই রেটিং: ৮/১০
আইএমডিবি রেটিং: ৬.২/১০

Darty Picture Movie Review || মুভি রিভিউ



দ্য ডার্টি পিকচার!
বায়োগ্রাফিকাল মিউজিকাল ড্রামা মুভি।
এক সময়কার দক্ষিণা নায়িকা সিল্ক স্মিথের জীবনে ঘটে যাওয়া উত্থান-পতন নিয়ে তৈরি, যে ছিল তার ইরোটিক রোলের জন্য বিখ্যাত, পরিচিত ও আলোচিত-সমালোচিত।

সেই ২০১১ সালে মুভিটি রিলিজের পর, দেখেছি বেশ ক'বার কিন্তু তখন তো আর এত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারতাম না, বুঝতামনা, মন ছিল আবেগী!
বার্তা নিরিক্ষার ক্ষমতা ছিলনা!
এডাল্ট মুভি হলেই লুকোচুরি করে দেখাটাই ছিল একটা নেশার মতো, এটা শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, বয়স ভেদে প্রায় সবারই এমন হয়।

যাকগে থাক সেসব, বিদ্যা বালানের একটু গুণগান না গাইলে কী হয়?

বিদ্যা বালান ন্যাশনাল এওয়ার্ড ও বেশকিছু এওয়ার্ড পেয়েছিল তখন এ ফিল্মের জন্যেই।
কারণ এরকম সাহসী অভিনয়, ও দক্ষ অভিনেত্রী হওয়া আজকালকার অনেকেরই মধ্যেউ নেই এক্সেপ্ট কঙ্গনা।

সংক্ষেপ রিভিউঃ একদা বিয়ের রাতে বাসা থেকে পালিয়ে যায় রেশমা (বিদ্যা) চেন্নাইয়ের উদ্দেশে নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন ধারণ করে।
বহুদিন অপেক্ষা করেও অডিশনের লাইনে দাঁড়িয়েও হতাশ হয়ে ফেরে, শুধু হতাশাই না রীতিমতো অপমান করে পাঁচ রুপিয়া দেয়।


দোকানি কে খাবারের অর্ডার করে, সিনেমা হলে তার প্রিয় চরিত্র সুরিয়াকান্ত (নাসিরুদ্দিন শাহ) এর সিনেমার পোস্টার দেখতে পেয়ে না খেয়েই হলে চলে যায় সিনেমা হলে।

হঠাৎ এক লোক তার পা ধরে মালিশ করে প্রস্তাব দেয় দশ রুপিয়া দেওয়ার শর্ত তো থাকছেই.......
দৌড়ে বাহিরে গিয়ে ভাবে, আমার মাঝে এমন তো কিছু আছে যেজন্য লোক টাকা দিতে চায়!

উৎসাহ অনুপ্রেরণা পায় নিজের ভিতর, শ্যুটিং স্পটে যায়। গানের শ্যুটিং চলছে, কিন্তু মডেল নেই!
তখনি রেশমা বলে উঠে "কুচবি কারনে কে লিয়ে তৈয়ার সে"।
আবেদনময়ী হয়ে চাবুকের আঘাতে নিজেকে মেলে ধরে ক্যামেরায়!

শ্যুট হয়।
প্রিমিয়ারে যাওয়ার আগেই ডিরেক্টর আব্রাহাম (ইমরান হাশমি) তা কেটে দেয়, এবং বকাঝকা শুরু করে।

মা-মেয়ে (পালিত- মা) হলে যায় অনেক আশা নিয়ে, অপমানিত হয়ে ফিরে, আবারো হতাশা!
ছবিটিও ফ্লপ হয়, তখনি ক্যামেরাম্যান প্রডিউসার কে বলে স্যার একটা গানের দৃশ্য আব্রাহাম স্যার কেটে দিয়েছে, সায়েদ ঐ গান থাকলে ব্লকবাস্টার হতে পারত!

তখনি প্রডিউসার গানটি দেখে, পুনরায় গানটি সহ রিলিজ দেয় এবং ওকে খুঁজতে বলে এজন্য যে সে মিডিয়ায় আঁগ লাগাবে!

অনেক কষ্টে তাকে খুঁজে পায়, নাম দেয় রেশমা হতে সিল্ক। এবং সরাসরি গানের শ্যুটিং এ সেই স্বপ্নের নায়ক সুরিয়াকান্তের সাথে।
কিন্তু সে পারছেনা, বারবার কাট হচ্ছে, মেজাজ বিগড়ে যায় তার, ফ্যাকাপ বলে রুমে যায়।
পেছনেই সিল্ক তাকে সিডিউস করে এবং লংটাইম সেক্সুয়াল রিলেশনশিপ রাখার শর্তে এগেইন শটে নিয়ে আসে।
শুরু হয় সেই উলা-লা, উলা-লা গানটি। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় না সিল্ক কে.......

আমি শুধু উত্থানের আলোচনা করলাম, পতন বাঁকি, ট্রাজেডি, হতাশা, বিমর্ষ রূপ সবকিছু ছবিতেই পাবেন।

রিলিজের সালে ছবিটি আঠারো প্লাস বলা যায়, কিন্তু আজকালকার মুভি অনুসারে কিছুই না।
তারপরও নিজ দায়িত্বে দেখাই শ্রেয়।

পরিচালনা মিলান লুথ্রিয়া।
উলা-লা, উলা-লা গানে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পি লাহিড়ী ও শ্রেয়া ঘোষাল।


আমার কাছে, ইশ্ক সুফিয়ানা গানটি খুব ভাল্লাগে, এখনো শুনি সবসময়।

ধন্যবাদ।

Judwwa 2 (2017) মুভি রিভিউ



বলিউডে ইয়াংস্টারদের ভিতরে হাতেগোনা যে কয়জনকে লম্বারেসের ঘোড়া ধরা হয় তার মধ্যে নিসন্দেহে বরুন অন্যতম। তার সাথে যারা ইন্ডাস্ট্রিতে আসছে তাদের অনেকেই লাগাতার ফ্লপ দিয়ে ফুরিয়ে যাওয়ার পথে কিন্তু এই ছেলেটা একের পর এক বক্স অফিস হিট দিয়ে স্বমহিমায় উজ্জ্বল।  স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার এ তার সাথে ডেবুট হইছিলো "সিদ্ধার্থ মালোহত্রার" বাট তার ক্যারিয়ারে এরপরে "এক ভিলেন" আর "কাপুর এন্ড সন'স" বাদে বলার মত ঊল্লেখযোগ্য কিছু নাই বাট বরুনের হিট গুলা দেখেন বাদলাপুর,মে তেরা হিরো,হামটি শার্মাদুলহানিয়া,দিলওয়ালে,ডিসুম,বাদ্রিনাথ কি দুলহানিয়া এখন পর্যন্ত বাকিদের চেয়ে অনেক এগিয়ে এখন পর্যন্ত।

যাইহোক,নতুন মুক্তি পাওয়া "জুড়ওয়া ২" প্রথম দিনেই ১৬ কোটি বিজনেস করে ফেলেছে বক্স অফিসে। এইটা সালমান খানের জুড়ওয়ার অনেকখানি রিমেক বলা যায় কারণ সেই ছবিটার ১২-১৩ টা সিন এইখানেও ইউজ করা হইছে।  ছবিতে বরুন ধাওয়ান এর কমিক টাইমিং পারফেক্ট ছিলো। শাহরুখ খানের ডায়লগ নকলের সীনটাও ভালো লাগবে সবাইর।  কিন্তু তাপসী পান্নু এই টাইপ ছবির সাথে যায়না আসলে ওর জায়গায় ইলিয়ানা/ক্রিতি শ্যাননকে নিলে আরো ভালো হইত। জ্যাকলিন বরাবরের মত গ্ল্যামার এ ভরপুর ছিলো। এইবারও সে প্রমাণ করেছে কিসিং সিনে জ্যাকলিন অদ্বিতীয়।বাকিদের কাজও ভালো ছিলো।মিউজিক ভাল্লাগছে। গানগুলার রিক্রিয়েট ভালো হইছে।আগের গুলার চেয়ে এবারের গুলা ভালো লাগছে বেশী।

বিদ্যা বালান বলেছিলো ফ্লিম খালি তিনটা জিনিসের উপরে চলে এন্টারটেইনমেন্ট,এন্টারটেইনমেন্ট আর এন্টারটেইনমেন্ট আর "জুড়ওয়া ২" এন্টারটেইনমেন্ট এ ভরপুর।

কিন্তু জাস্ট বিনোদনের জন্য দেখবেন লজিক খুজতে গেলে ছবির মজা নস্ট হবে। তাই হাতে ফ্রি টাইম থাকলে নিসন্দেহে দেখে নিন আপনার টাইমটা ভালো কাটবে গ্যারান্টি।

হ্যাপি ওয়াচিং।

Once Upon a Time Mumbai (2010) রিভিউ


অজয়, ইমারান হাসমী, কঙ্গনা রানৌত, প্রাচী দেশাই ও রান্দীপ হুডা অভিনীত 28 কোটি বাজেটের এই মুভিটির ততকালীন বক্স অফিস কালেকশন ছিলো ৯৪ কোটি বা তার বেশী।
মুম্বাই আর সুলতান মির্জা। মুম্বাইর সাথে ছোট বেলা থেকেই শুরু সুলতান মির্জার সখ্যতা।
মুম্বাই তার ভালোবাসা, প্রেমীকা। যতো গায়ের কানুনী ধান্ধাই করুক না কেনো কখনো ভালোবাসার শহরকে গান্ধা হতে দেয় নি সুলতান।মুম্বাইর অলি গলি কে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব ছিলো তার।
 প্রশাসনিক বিরোধী কাজ- কর্ম করলেও সমাজ বিরোধী কাজ করতো না কখনো, তাই তো ধীরে ধীরে  মুম্বাইর অসহায়  মানুষগুলোয়  দেবতায়  পরিণীত হয় সুলতান।
মুম্বাই ছাড়াও সুলতানের আরেকটি দুর্বলতা ছিলো। তা হলো ফিল্ম স্টার রেহানা।
অতঃপর এক  দিন  একে অপরের সাথে শুটিং স্পটে দেখা ও ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হওয়া।
মুম্বাই এর আরেক লাগামহীন  চতুর বালক শোয়েব।
বাবা পুলিশ হলেও ছেলে ছোট বেলা থেকে এক দুর্দর্শ চোর। শোয়েবের সপ্ন মুম্বাই শহর একদিন তার হাতের মুঠে করে নেয়া, চাই তা মুম্বাইকে  সহিংস  বা মানুষের লাশ বিছিয়ে হোক না কেনো, অরাজকতার রাজ প্রতিস্থাপনই তার মূল উদ্দেশ্য। এই সপ্ন নিয়ে একদিন শোয়েবের দেখা  সুলতানের সাথে। অতঃপর একে অপরের আস্থা অর্জন ও বন্ধুত্ব। শোয়েব চোর হলেও মুমতাজকে ভালোবাসে মনে প্রাণে।মুমতাজও ভালোবাসে সব কিছু দিয়ে।
 এই মুভিতে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করে রান্দীপ হুডা।
রান্দীপ হুডার অভিনয়  আমার কাছে সবসময় স্পেশাল, এখানেও আমার জন্য তেমনটাই ছিলো।
প্রাচী দেশাই এর অভিনয়ও আপনার ভালো লাগতে পারে।
সবচেয়ে সুন্দর ছিলো মুভির প্রত্যেকটা কথাই যেন একেকটা ডাইলগ।
আপমনি আমার মতো রাহাত ফাতেহ  আলী খানের গান পছন্দ করে থাকলে আপনার জন্য আছে মুভিতে একটি বেশ সুন্দর গান।
চাইলে আপনিও দেখতে পারেন।

Main Aur Charles (2015) মুভি রিভিউ



মার্চ , ১৯৮৬ – একজন লোককে ধরার জন্য পুরো ইন্ডিয়ান পুলিশ ফোর্স পাগল হয়ে গিয়েছিল ।
.
ভদ্রলোকের পরিচয় – অনেকগুলো । কখনো সে নেপালের রাজবংশীয় প্রিন্স, কখনো রত্ন ব্যবসায়ী আবার কখনো শুধুই বাবার বখে যাওয়া প্লেবয় সন্তান । অনেকগুলো নাম তার, অনেকগুলো জাতীয়তা । বেশ কয়েকটি ভাষায় সে কথা বলতে পারে অনর্গল, এমন একটা ব্যক্তিত্ব, কেউই তার আকর্ষণ এড়াতে পারে না । শেয়ালের চেয়েও ধূর্ত সে, নেকড়ের চেয়েও হিংস্র , আপাদমস্তক রহস্যময়। অন্যেরা যখন তাদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করে, সে তার ভবিষ্যত লিখে, এমনভাবে লিখে– যার ওপরে মুভি বানানো যায় ।
.
লোকটার নাম চার্লস, চার্লস সোবরাজ ।
.
ইতিহাসে সিরিয়াল কিলারদের মাঝে এই অসাধারণ প্রতিভাধর খুনি বিখ্যাত তার ক্ষুরধার বুদ্ধির কারণে । হিপ্পি ট্যুরিস্টদের টার্গেট করা এই খুনির ডাকনাম ‘ দ্য বিকিনি কিলার’ আর ‘দ্য সার্পেন্ট’ । বারবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু সে বেরিয়ে গেছে জেল থেকে – যখন সে চেয়েছে তখন । যখন সে ধরা পড়তে চেয়েছে, সে ধরা পড়েছে । জেলখানায় সে নেশার আসর বসিয়েছিল, ছিল সিনেমা আর প্রেমিকাদের অবাধ যাতায়াত । তাকে আদালতে নেয়া হলে দেখা যায়, তার বিপক্ষে আসলে কারও কাছে তেমন কোন প্রমাণ নেই ।
.
Main Aur Charles – এই খুনির জীবন নিয়ে বানানো বলিউডের সবচেয়ে আন্ডাররেটেড সিনেমাগুলোর একটা । দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন রণদীপ হুদা – যিনি নিজেই বলিউডের সবচেয়ে আন্ডাররেটেড অভিনেতাদের একজন । ক্যারিশম্যাটিক, ধূর্ত , রহস্যময় চার্লস – আর তার জীবনের একটা বড় ট্যুইস্ট – তার প্রিজন ব্রেক ।
.
রিচা চাড্ডা , মন্দানা কারীমি মুভিতে পর্যন্ত গ্ল্যামার এনেছেন :P আদিল হোসেন – চমৎকারভাবে মানিয়ে গেছেন চরিত্রের সাথে । গানগুলো বেখাপ্পা লেগেছে, পুষিয়ে গেছে দারুণ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে । আশির দশকের ছাপ পাওয়া যায় মিউজিকে, পোশাকে , হেয়ারস্টাইলে। এই মুভির নায়ক, ভিলেন, রম্যঅভিনেতা – সবকিছু একজনই ।
.
.
লোকটার নাম চার্লস, চার্লস সোবরাজ ।