Know info before watch, but no Spoiler

Showing posts with label রিভিউ. Show all posts
Showing posts with label রিভিউ. Show all posts

ফাগুন হাওয়ায় রিভিউ ২০১৯



ভাষা আন্দোলনের উপর নির্মিত ছবিটি টিটো রহমানের "বউ কথা কও" উপন্যাসের ভিত্তিতে নির্মিত।
এতে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ইমরোজ তিশা,যশপাল শর্মা(ভারতীয়),আবুল হায়াত,ফজলুর রহমান বাবু  সহ আরো অনেকে।

প্রথমেই বলতে হয় এদেশে বর্তমানে ভাষা আন্দোলনের উপর ছবিই নির্মিত হয় না।
এক্ষেত্রে তৌকির আহমেদ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ছোট্টো করে হলেও তুলে ধরতে চেয়েছেন।

ছবিটিতে প্রথম প্লটেই দেখা যায় যশপাল শর্মার (ওসি) গ্রামে প্রবেশ।
প্রবেশের পর থেকেই বাঙালিদের উপর নিষ্ঠুরতা,অত্যাচারের চিহ্ন ফুটে ওঠে।
বাংলা ভাষায় কথা বলা প্রত্যেক ব্যাক্তি এমন কি পাখির উপরও তার নির্যাতন,বর্বরতা কমে না।

দেয়ালে লিখন,রাজনৈতিক আলাপ, পশ্চিম পাকিস্তান তথা ছবিতে উল্লেখিত দেশ বিরোধি কথা বলা সম্পূর্ণ নিষেধ থাকে ছবিতে।

যশপাল শর্মা তথা পাকিস্তানি পুলিশ অফিসার এর চরিত্রটি উনি ভালো ভাবেই অভিনয় করেছেন।
তিশা আর সিয়াম এর চরিত্র নিয়ে বলার কিছু নেই কারণ তাদের অভিনয়ে অন্তত আপাত দৃষ্টিতে না ছিলো কোনো খুত না অভার এক্টিং।
হ্যা তবে সিয়ামের চরিত্রটা আরো প্রতিবাদি করে তোলা যেতো।
ফজলুর রহমান বাবু ভাই বরাবরের মত নিজেকেই তার অভিনয় দিয়ে ছাড়িয়ে গেছেন।তার অভিনয় দেখে মুগ্ধতা ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য।
এছাড়া পার্শ্ব চরিত্রে রওনক হাসান,সাচ্চু ভাই,সাজু খাদেম, সবাই সবার চরিত্র অনেক সুন্দর করে অভিনয় করেছেন।

এইটা শুধু ভাষা আন্দোলনের ছবি না সুন্দর একটি প্রেমেরও ছবি।পরিচালক কম বেশি করে হলেও সুন্দর করে সেখানে সেই পরিবেশে যুক্তি সঙ্গত ভালোবাসা উপস্থাপন করেছেন।
এছাড়া ছবিতে কমেডি,ড্রামা,হাসি,কান্না,ইমোশন সবকিছুরই ছোঁয়া রয়েছে।ব্যাকগ্রাউন্ডে তোমাকে চাই গানটির সুর যতক্ষণ ছিলো তা ছিলো মুগ্ধকর।

তবে ছবিতে শুধু ভাষা আন্দোলনের দিন পর্যন্ত তথা ২১  ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রাম্য পটভূমিতে ঘটে যাওয়া ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ভাষা আন্দোলনের পরিবর্তি কিছু ঘটনা তুলে ধরলে আরো ভালো হতো বলে আমি মনে করি।সর্বোপরি এইটি আমাদের  ছবি, আমাদের বাংলা ভাষার ছবি।
প্রত্যেক বাঙালির এই ছবিটি দেখা কর্তব্য বলে আমি মনে করি।

একটা কথা না বললেই নয়,
চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ বলেছেন,

"ফ্রিতে দেখার আমন্ত্রন ছেড়ে টিকিট কেটে "ফাগুন হাওয়ায়" দেখলাম।
বাংলাভাষীরা যদি এ ছবি না দেখে তাহলে  সেটা তাদের ক্ষতি, ছবির নয়...."

কথাগুলো অন্তত সবার বোঝা উচিত যে কতটা গভীরতা রয়েছে কথাগুলোয়।
বাঙালি হিসেবে অনুরোধ সবাই অন্তত এই ছবিটি দেখবেন হলে যেয়ে। বাংলা চলচিত্রের ভালো ছবিগুলো আমরা আপনারা সাপোর্ট না করলে কে আর করবে?

Sui Dhaga Movie Review


লিড রোলে আনুস্কা শর্মা (যার অভিনয় শর্মা কাবাবের মতোই টেস্টি) আর বরুন ধাওয়ান (নাহ্ এই ছেলে খালি এন্টারটেইনিং আর ওভার দ্য টপ এক্টিংই করে না হৃদয় টাচ করা এক্টিং করা এক্টিংটাও পারে)
কাহিনী নির্যাসঃ একজন লুজার মওজি আর তার অতি সহনশীল বুদ্ধিমতী স্ত্রী মমতার কাহিনী। যারা নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একসময় তাদের স্বপ্নে সফল হয়।
আনুস্কা আগেও নিজেকে ভাংসে কিন্ত গ্ল্যামারের মধ্যে থেকেই। ২০১৮ তে পারি,সুই ধাগা এরপরে জিরো তিনটাতেই নন গ্ল্যামারাস পুরাপুরি ডিফারেন্ট তিনটা ক্যারেক্টার করলো এত ভার্সেটালিটি আর কোন বলিউড একট্রেস রিসেন্ট টাইমে দেখাইসে মনে পড়ে নাই তবে আলিয়াও যথেস্ট ভার্সেটাইল। বরুন ধাওয়ান এরে শুরুর থেকে ২০১৭ পর্যন্ত দেখলাম এক বদলাপুর ছাড়া সব একই রকম ক্যারেক্টার করতে।২০১৮ তে অক্টোবর এরপরে এই সুই ধাগা দেখার পরে মনে হইলো এই ছেলেরে এতদিন খালি সালমান খান যেগুলা বয়সের কারণে করতে পারতো না খালি সেগুলার জন্য ব্যাবহার করতো। নিজের আইডেন্টিটি ক্রিয়েট করার চেষ্টা করসে ২০১৮ তে এসে। বলিউড ইজ ইন সেফ হ্যান্ডস নিউ জেনারেশন ও এক্টিং পারে।

মুভিটা মাটি ঘেষা। লাস্টে ফিল গুড ফিলিংস হয়।

২০১৮ আসলে বলিউডের জন্য ভালো অর্থে ট্রানজিশনাল পিরিয়ড। খানদের ঝা চকচকে মুভিগুলার ভরাডুবি হইসে আর এইরকম কন্টেন্ট নির্ভর মুভি মানুষকে টানসে,হিট হইসে। যদিও আমি শাহরুখের ফ্যান তাও ব্যাপারটায় খুশি।

মাই রেটিং: ৮/১০
আইএমডিবি রেটিং: ৬.২/১০

Mission Impossible : Fallout Movie Review


স্পাই-একশন জনরার সিরিজগুলোর মধ্যে অন্যতম মিশন ইম্পসিবল।এ জনরার অন্যান্য সিরিজ থেকে এ সিরিজ অনেকাংশেই ভিন্ন-তা সেটা এর সেট আপ,গিমিক,চরিত্র,একশন দেখলেই বুঝা যায়। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে এর প্রধান চরিত্রে একই অভিনেতা কাজ করে চলেছেন এর জন্মলগ্ন থেকেই আর আমরাও (দর্শক) তাকে গ্রহণ করে নিয়েছি সাদরে, পরিচালনায়ও ভিন্ন ভিন্ন পরিচালক কাজ করেছেন এ সিরিজের ৫ নম্বর সিনেমা পর্যন্ত, কোন পর্বের কাহিনীর সাথে অন্য পর্বের তেমন কোন কানেকশন নেই। ১৯৯৬ এ শুরু হওয়া এ মুভি সিরিজের ৬ নম্বর পর্ব ফলআউট মুক্তি পায় এ বছর। অনেকগুলো ব্যতিক্রমের জন্ম দেয়া এ মুভিতে অভিনয়ে ছিলেন টম ক্রুজ, অ্যালেক বোল্ডউইন, ভিং রাইমস, রেবেকা ফারগুসন, সাইমন পেগ, মিশেল মনাহান, শন হ্যারিসের সাথে সিরিজের এ পর্বে যুক্ত হয়েছেন ভ্যানেসা কারবি, এঞ্জেলা বেসেট আর হ্যানরি কাভিল।

ব্যতিক্রমের কথার বিষয়ে বলছিলাম, এটি এ ফ্রাঞ্চাইজির একমাত্র মুভি যার পরিচালক এর আগের পর্ব-এর পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন,স্টিভেন ম্যাকুয়ারি রোগ নেশনের পর আবার ফিরেছেন ফলআউট এর জাহাজ সামলাতে,আরো কিছু ব্যতিক্রমের ভিতর আছে-এটার সাথে সিরিজের অন্যান্য পর্বের  যোগাযোগ আছে আর তা ভালমতোই,সবচেয়ে সরাসরি যদি বলতে হয় তাহলে বলা যায়,৫ নম্বর সিনেমার সিকুইয়েল হচ্ছে এ সিনেমা। এ বছরের অন্যতম সেরা’র তকমা পাওয়া ১৭৮ মিলিয়নে বানানো এ মুভি দেখেছিলাম বেশকিছুদিন আগে সিনেপ্লেক্স-এ, কেমন লাগল আমার আসেন দেখি...

এবারের মিশনে দেখা যায় প্লুটোনিয়াম বাহী তিনটি বোমা উদ্ধারের দায়িত্ব পড়ে ইথানের (ক্রুজ) দলের উপর কিন্তু বার্লিনের সেই মিশনে ব্যর্থ হয় তার দল আর সেই বোমাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে ঊঠে পড়ে লাগে এপোস্টল নামের এক সংগঠন যারা মূলত বিগড়ে যাওয়া আর বিপথে পরিচালিত সাবেক আইএমএফ এজেন্টদের নিয়ে গঠিত। এ দলের অন্যতম সদস্য হচ্ছে জন লারক আর মূলত সেই এ বোমাগুলো এপোস্টোলের কব্জায় নেয়ার জন্য কাজ করছে, কিন্তু লারকের কোন তথ্য,ছবি সিআইএ,আইএমএফ, এম আই সিক্স কারো কাছেই নেই। কে এই লারক? সিআইএ-এ মিশনের ব্যর্থতার জন্য আইএমএফকে দায়ী করে এবং এ বোমাগুলো উদ্ধারের মিশনে তথা আইএমএফ এর উপর নজরদারী করতে তাদের এক এজেন্ট অগাস্ট ওয়াকারকে (কাভিল) নিযুক্ত করে। পরিস্থিতির গুরুত্ব কয়েকগুণ জটিল হয়ে যায় যখন জানা যায় এ সবের পিছনে সন্ত্রাসী দল সিন্ডিকেট-এর নেতা সাবেক এজেন্ট সলোমান লেনের (হ্যারিস) হাত রয়েছে।কিন্তু সে কিভাবে এগুলো করবে কেননা সে তো এখন বন্দী। আর এসবের মাঝে এম আই সিক্স এজেন্ট এলসা ফস্ট (ফারগুসন) কি করছে? সে কার হয়ে কাজ করছে? ইথান কাকে বিশ্বাস করবে?

সবকিছুতেই ব্যপকতা ছিল এ মুভিতে। আগের পর্ব গূলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অদম্য বাসনা বা জেদ কাজ করেছে এর নির্মাতা গোষ্ঠীর।তা এর প্রতিটা ফ্রেমেই বুঝা যায়। কি ক্যামেরার কাজ, সেট, সেট-পিছ, কি এডিটিং, সাউন্ড ডিজাইন, ব্যাকগ্রাঊণ্ড স্কোর, কি স্টান্ট, কি অভিনয়, কি পরিচালনা সব কিছুই আপ্ট। এ সিনেমা শুধূ দেখার জন্য না উপভোগেরও আর সিনেমা মেকার বা ভবিষ্যৎ মেকার যারা মূলত একশন সিনেমা বানাবেন তাদের জন্য এটা দেখা একেবারেই মাস্ট।একের পর এক টুইস্ট আর রোমহর্ষক সব সেট-পিছের সমাহার বলা যায় এ সিনেমাকে। পরিচালনায় ম্যাকুয়ারি অনবদ্য, তিনি নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। অভিনয়ে সবাই ভাল করেছেন, বিশেষ করে ৫৬ বছরের তরুণ টম ক্রুজ। তিনি সত্যিই মানুষ না অন্য কিছু। এ সিনেমার জন্য তিনি যা করেছেন তা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়-প্যারিসের ব্যস্ত সড়কে দ্রুতগতিতে মোটরবাইক চালনা, এক ভবন থেকে আরেক ভবনে লাফিয়ে চলা আর সেটা করতে গিয়ে পা ভাঙ্গা, হেলিকপ্টার চালনা শিখা আর সেটা সিনেমায় ব্যবহার, হেলো জাম্প...টম ক্রুজ আসলে মানুষ না এলিয়েন...

কাভিল এ সিনেমার বড় সারপ্রাইজ...এ সিনেমার হাইলাইট অনেক কিছুই তবে আমার কাছে যদি কিছু থাকে তবে তা হচ্ছে এর বাথরুম ফাইট সিন। যেখানে ইনি অনবদ্য। অভিনয়ে অন্যরাও ভাল...

Darty Picture Movie Review || মুভি রিভিউ



দ্য ডার্টি পিকচার!
বায়োগ্রাফিকাল মিউজিকাল ড্রামা মুভি।
এক সময়কার দক্ষিণা নায়িকা সিল্ক স্মিথের জীবনে ঘটে যাওয়া উত্থান-পতন নিয়ে তৈরি, যে ছিল তার ইরোটিক রোলের জন্য বিখ্যাত, পরিচিত ও আলোচিত-সমালোচিত।

সেই ২০১১ সালে মুভিটি রিলিজের পর, দেখেছি বেশ ক'বার কিন্তু তখন তো আর এত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারতাম না, বুঝতামনা, মন ছিল আবেগী!
বার্তা নিরিক্ষার ক্ষমতা ছিলনা!
এডাল্ট মুভি হলেই লুকোচুরি করে দেখাটাই ছিল একটা নেশার মতো, এটা শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, বয়স ভেদে প্রায় সবারই এমন হয়।

যাকগে থাক সেসব, বিদ্যা বালানের একটু গুণগান না গাইলে কী হয়?

বিদ্যা বালান ন্যাশনাল এওয়ার্ড ও বেশকিছু এওয়ার্ড পেয়েছিল তখন এ ফিল্মের জন্যেই।
কারণ এরকম সাহসী অভিনয়, ও দক্ষ অভিনেত্রী হওয়া আজকালকার অনেকেরই মধ্যেউ নেই এক্সেপ্ট কঙ্গনা।

সংক্ষেপ রিভিউঃ একদা বিয়ের রাতে বাসা থেকে পালিয়ে যায় রেশমা (বিদ্যা) চেন্নাইয়ের উদ্দেশে নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন ধারণ করে।
বহুদিন অপেক্ষা করেও অডিশনের লাইনে দাঁড়িয়েও হতাশ হয়ে ফেরে, শুধু হতাশাই না রীতিমতো অপমান করে পাঁচ রুপিয়া দেয়।


দোকানি কে খাবারের অর্ডার করে, সিনেমা হলে তার প্রিয় চরিত্র সুরিয়াকান্ত (নাসিরুদ্দিন শাহ) এর সিনেমার পোস্টার দেখতে পেয়ে না খেয়েই হলে চলে যায় সিনেমা হলে।

হঠাৎ এক লোক তার পা ধরে মালিশ করে প্রস্তাব দেয় দশ রুপিয়া দেওয়ার শর্ত তো থাকছেই.......
দৌড়ে বাহিরে গিয়ে ভাবে, আমার মাঝে এমন তো কিছু আছে যেজন্য লোক টাকা দিতে চায়!

উৎসাহ অনুপ্রেরণা পায় নিজের ভিতর, শ্যুটিং স্পটে যায়। গানের শ্যুটিং চলছে, কিন্তু মডেল নেই!
তখনি রেশমা বলে উঠে "কুচবি কারনে কে লিয়ে তৈয়ার সে"।
আবেদনময়ী হয়ে চাবুকের আঘাতে নিজেকে মেলে ধরে ক্যামেরায়!

শ্যুট হয়।
প্রিমিয়ারে যাওয়ার আগেই ডিরেক্টর আব্রাহাম (ইমরান হাশমি) তা কেটে দেয়, এবং বকাঝকা শুরু করে।

মা-মেয়ে (পালিত- মা) হলে যায় অনেক আশা নিয়ে, অপমানিত হয়ে ফিরে, আবারো হতাশা!
ছবিটিও ফ্লপ হয়, তখনি ক্যামেরাম্যান প্রডিউসার কে বলে স্যার একটা গানের দৃশ্য আব্রাহাম স্যার কেটে দিয়েছে, সায়েদ ঐ গান থাকলে ব্লকবাস্টার হতে পারত!

তখনি প্রডিউসার গানটি দেখে, পুনরায় গানটি সহ রিলিজ দেয় এবং ওকে খুঁজতে বলে এজন্য যে সে মিডিয়ায় আঁগ লাগাবে!

অনেক কষ্টে তাকে খুঁজে পায়, নাম দেয় রেশমা হতে সিল্ক। এবং সরাসরি গানের শ্যুটিং এ সেই স্বপ্নের নায়ক সুরিয়াকান্তের সাথে।
কিন্তু সে পারছেনা, বারবার কাট হচ্ছে, মেজাজ বিগড়ে যায় তার, ফ্যাকাপ বলে রুমে যায়।
পেছনেই সিল্ক তাকে সিডিউস করে এবং লংটাইম সেক্সুয়াল রিলেশনশিপ রাখার শর্তে এগেইন শটে নিয়ে আসে।
শুরু হয় সেই উলা-লা, উলা-লা গানটি। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় না সিল্ক কে.......

আমি শুধু উত্থানের আলোচনা করলাম, পতন বাঁকি, ট্রাজেডি, হতাশা, বিমর্ষ রূপ সবকিছু ছবিতেই পাবেন।

রিলিজের সালে ছবিটি আঠারো প্লাস বলা যায়, কিন্তু আজকালকার মুভি অনুসারে কিছুই না।
তারপরও নিজ দায়িত্বে দেখাই শ্রেয়।

পরিচালনা মিলান লুথ্রিয়া।
উলা-লা, উলা-লা গানে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পি লাহিড়ী ও শ্রেয়া ঘোষাল।


আমার কাছে, ইশ্ক সুফিয়ানা গানটি খুব ভাল্লাগে, এখনো শুনি সবসময়।

ধন্যবাদ।

A Quiet Place (2018) মুভি রিভিউ


সিনেমার প্রথম ৪০ মিনিটে কোনো সংলাপ নেই !

সিনেমার শুরুটা হয় নি:শব্দে । এক স্টোরে দেখা যায়,  এক ফ্যামিলি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিচ্ছে । তবে খুবই সাবধানে ! বিন্দুমাত্র শব্দ যেনো না'হয় সেভাবে ! তাদের ছেলে এক খেলনা ব্যাটারি দিয়ে চালাতে চাইলে , চালাতে দেওয়া হয় না ! আওয়াজ হবে বলে !

সকল কিছু নেওয়া শেষ হলে তারা তাদের বাসার উদ্দেশে রওনা দেয় । এদিকে সেই বাচ্চা ছেলেটি খেলনাটি চালু করে হঠাৎ করেই ! তাঁর বাবা দ্রুত তাকে রক্ষা করতে যাবার আগেই এক অদ্ভুতুড়ে প্রাণী এসে তাকে নিয়ে চলে যায় !

আর যাই হোক, কোনোপ্রকার শব্দ তৈরি করা যাবে নাহ ! শব্দ শুনলেই চলে আসবে সেই প্রাণী ! মেরে ফেলবে শব্দের  সৃষ্টিকারীকে !
অর্থাৎ, শব্দ হলেই মৃত্যু !
কিভাবে সেই ফ্যামিলির মেম্বাররা বেঁচে থাকে কোনোপ্রকার শব্দ না করেই ?!

দুর্দান্ত হরর থ্রিলার ! কনসেপ্ট তো খুবই চমৎকার ! এবছরের অন্যতম সেরা সিনেমা, নিঃসন্দেহে !

Ohm Santhi Osana (2014) মুভি রিভিউ


একটা সিম্পল কাহিনীকে এত্তো কিউট এবং মনোমুগ্ধকর করে উপস্থাপণ করা যায় সেটা এই মুভিটা না দেখলে জানতামই না, সহজ একটা কাহিনীকে এতোটা আকর্ষনীয় করে তুলেছে বলার বাইরে, ম্যাকিং স্টাইল, অভিনয় চমৎকার করে তুলে ধরেছে। নায়িকা নাজরিয়া নাজীম কিউটের ডিব্বা যেনো, স্কুল গার্লের যে এক্টিংটা করেছে, একদম মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে।
পুরো মুভিতে ওর উপস্থিতি ছিলো চমৎকার, ভালোলাগতে বাধ্য...
একেক জনরার মুভি দেখার সময়ে আমাদের একেকটা অনুভূতি আসে, এ্যাকশন দেখলে চাপা একটা উত্তেজনা কাজ করে, হররর দেখলে ভীতি কাজ করে, কমেডি দেখলে ভিতরটা নরমাল হয়ে হাসি বেরিয়ে আসে, আর সাইন্স ফিকশনে মস্তিষ্কে একটা উৎসুকভাব কাজ করে, আর Triangle / inception  এর মতো মুভিগুলা নার্ভে প্রচুর চাপ ফেলে, মস্তিষ্ক অনেকটা নিয়ন্ত্রনে নিয়ে যায় মুভিটা।
আর কিছু মুভি দেখলে মজা লাগে, ভিতরটায় আলাদা একটা হিম শীতল ভালোলাগা কাজ করে, অট্টহাসি নয় মুচকি হাসতে মনে চায়, খুবই খুবই ভালোলাগে।
তেমনই একটা মুভি Ohm Santhi Osana* মুভিটা। অনেকদিন কাজ করবে ভালোলাগাটা।
বোরিং লাগার কোনো প্রশ্নই আসেনা দারুন উপভোগ্য।
যেই দেখবে তার প্রিয় মুভির লিস্টে এটা অটোমেটিক এড হয়ে যাবে। প্রেমে ফেলে দিবে মুভিটার।

বর্তমান ইন্ডিয়ায় একমাত্র মালায়ালাম ইন্ডাস্ট্রীতেই মৌলিকতা দেখতে পাই, সবচেয়ে এগিয়ে তারা।
সে ইন্ডাস্ট্রীরই একটা সফল এবং সবার প্রিয় একটা মুভি। রোম্যান্টিক ঘরনার এই মুভিটি আসলেই অনেক মুগ্ধ করেছিলো।
অনেকদিন আগেই দেখেছিলাম, আজ দু'কলম লিখলাম।
যারা দেখেননি আপনারাও দেখতে পারেন।

Happy Watching