Know info before watch, but no Spoiler

A Quiet Place (2018) মুভি রিভিউ


সিনেমার প্রথম ৪০ মিনিটে কোনো সংলাপ নেই !

সিনেমার শুরুটা হয় নি:শব্দে । এক স্টোরে দেখা যায়,  এক ফ্যামিলি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিচ্ছে । তবে খুবই সাবধানে ! বিন্দুমাত্র শব্দ যেনো না'হয় সেভাবে ! তাদের ছেলে এক খেলনা ব্যাটারি দিয়ে চালাতে চাইলে , চালাতে দেওয়া হয় না ! আওয়াজ হবে বলে !

সকল কিছু নেওয়া শেষ হলে তারা তাদের বাসার উদ্দেশে রওনা দেয় । এদিকে সেই বাচ্চা ছেলেটি খেলনাটি চালু করে হঠাৎ করেই ! তাঁর বাবা দ্রুত তাকে রক্ষা করতে যাবার আগেই এক অদ্ভুতুড়ে প্রাণী এসে তাকে নিয়ে চলে যায় !

আর যাই হোক, কোনোপ্রকার শব্দ তৈরি করা যাবে নাহ ! শব্দ শুনলেই চলে আসবে সেই প্রাণী ! মেরে ফেলবে শব্দের  সৃষ্টিকারীকে !
অর্থাৎ, শব্দ হলেই মৃত্যু !
কিভাবে সেই ফ্যামিলির মেম্বাররা বেঁচে থাকে কোনোপ্রকার শব্দ না করেই ?!

দুর্দান্ত হরর থ্রিলার ! কনসেপ্ট তো খুবই চমৎকার ! এবছরের অন্যতম সেরা সিনেমা, নিঃসন্দেহে !

Forgotten 2018 মুভি রিভিউ



"টুইস্ট" শব্দটাকে আপনি কিভাবে সঙগায়িত করবেন? একটু ভাবতে হবে তাই তো? কথা দিলাম এই মুভি দেখা শেষে নিজেই এই শব্দটার সঙগা, ব্যাখ্যা, যা খুশি দিতে পারবেন তাও আবার দ্বিতীয়বার না ভেবেই। ঠিক শেষ মুহূর্তেও টুইস্ট আছে এমন এক মুভি এটা, তো এই মুভি খাবেন কিনা তা আপনার ব্যাপার ভাই আমি আমার অপিনিয়নটাই শেয়ার করলাম মাত্র।

কোরিয়ান মুভি মানেই যেখানে মাস্টারপিসের গুদাম সেখানে এই মুভি আপনাকে বোঝাবে মাস্টারপিস আসলে জিনিষটা কি? খায় না গায়ে দেয় ? মুভি দেখার শেষে নিজেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করবেন, আপনি কি সেই মানুষ যাকে আপনার স্মৃতি চেনে, নাকি আপনি আয়নার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা সেই অপার্থিব অজানা ব্যাক্তি। 🤐

কাহিনী (স্পয়লারহীন) ➡️
এক বৃষ্টির রাতে জিনসোকা দেখে একদল লোক তার বড় ভাই ভাই ইউসোকাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাচ্ছে। সে গাড়ির নাম্বার প্লেট মুখস্থ রাখলেও পুলিশ জানায় ওই প্লেটের কোনো গাড়িই নাকি নাই। ঠিক ১৯ দিন পর ইয়োসোকা বাড়ি ফেরে। কিন্তু কিডন্যাপড হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কিছুই তার মনে নেই । জিনসোকা তার ভাইয়ের নানা ব্যাপার লক্ষ্য করার মাধ্যমে খেয়াল করে যে, এতদিন যেই ভাইকে সে চিনে আসছে সে এই ব্যাক্তি নয়। হয়ত এই লোক তার ভাইই নয়। সে তার লক্ষ্য করা ব্যাপারগুলো তার মাকে জানায়। কিন্তু সেইদিন রাতে মোবাইলে তার মাকে আশ্চর্যজনক কথাবার্তা বলতে শুনে সে বুঝতে পারে যে, তার মা এইসব আগে থেকেই জানতেন এবং সেই ব্যাক্তি আসলে কে তাও জানেন। তারমানে কি এই মহিলা তার মা নন ? সে কাউকেই আর বিশ্বাস করতে পারে না। তাই বাড়ি থেকে পালাতে যায় এবং রাস্তায় তার বাবার সাথে দেখা হয়। তার বাবার ব্যাবহার এবং মায়ের সাথে একাত্মতা দেখে এইটা বুঝতে আর বাকি থাকে না যে এই ব্যাক্তি তার বাবাই না।
তারমানে কি, এতদিন ধরে যাদের নিজের ফ্যামিলি ভেবে এসেছে তারা তার ফ্যামিলিই না!!! এটা কি করে সম্ভব? আর এই লোকজন যদি তার ফ্যামিলি না হয় তাহলে কি তারা এতদিন অভিনয় করে আসল? কেনই বা করবে? কিই বা চায় তারা তার কাছে?

কি ভাবছেন সব টুইস্ট দিয়ে দিলাম? আরেহ দাঁড়ান ভাই এই মুভির টুইস্টগুলা গুনতে গেলে আপনার আঙ্গুল ব্যথা হয়ে যাবে । টুইস্টের উপর টুইস্ট খেতে খেতে যখন ভাববেন খেলা তাহলে শেষ, ঠিক তার পরের মুহূর্তেই মনে হবে আরেহ খেলা তো শুরু হইসে মাত্র (🤘)। কি সেই খেলা আর কোথায় তার শেষ সেটা জানতে দেখে ফেলুন মুভিটি। আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্য না থাকায় পরিবার সমেত রোজার সময়েই দেখতে পারবেন মুভিটি। 

Ohm Santhi Osana (2014) মুভি রিভিউ


একটা সিম্পল কাহিনীকে এত্তো কিউট এবং মনোমুগ্ধকর করে উপস্থাপণ করা যায় সেটা এই মুভিটা না দেখলে জানতামই না, সহজ একটা কাহিনীকে এতোটা আকর্ষনীয় করে তুলেছে বলার বাইরে, ম্যাকিং স্টাইল, অভিনয় চমৎকার করে তুলে ধরেছে। নায়িকা নাজরিয়া নাজীম কিউটের ডিব্বা যেনো, স্কুল গার্লের যে এক্টিংটা করেছে, একদম মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে।
পুরো মুভিতে ওর উপস্থিতি ছিলো চমৎকার, ভালোলাগতে বাধ্য...
একেক জনরার মুভি দেখার সময়ে আমাদের একেকটা অনুভূতি আসে, এ্যাকশন দেখলে চাপা একটা উত্তেজনা কাজ করে, হররর দেখলে ভীতি কাজ করে, কমেডি দেখলে ভিতরটা নরমাল হয়ে হাসি বেরিয়ে আসে, আর সাইন্স ফিকশনে মস্তিষ্কে একটা উৎসুকভাব কাজ করে, আর Triangle / inception  এর মতো মুভিগুলা নার্ভে প্রচুর চাপ ফেলে, মস্তিষ্ক অনেকটা নিয়ন্ত্রনে নিয়ে যায় মুভিটা।
আর কিছু মুভি দেখলে মজা লাগে, ভিতরটায় আলাদা একটা হিম শীতল ভালোলাগা কাজ করে, অট্টহাসি নয় মুচকি হাসতে মনে চায়, খুবই খুবই ভালোলাগে।
তেমনই একটা মুভি Ohm Santhi Osana* মুভিটা। অনেকদিন কাজ করবে ভালোলাগাটা।
বোরিং লাগার কোনো প্রশ্নই আসেনা দারুন উপভোগ্য।
যেই দেখবে তার প্রিয় মুভির লিস্টে এটা অটোমেটিক এড হয়ে যাবে। প্রেমে ফেলে দিবে মুভিটার।

বর্তমান ইন্ডিয়ায় একমাত্র মালায়ালাম ইন্ডাস্ট্রীতেই মৌলিকতা দেখতে পাই, সবচেয়ে এগিয়ে তারা।
সে ইন্ডাস্ট্রীরই একটা সফল এবং সবার প্রিয় একটা মুভি। রোম্যান্টিক ঘরনার এই মুভিটি আসলেই অনেক মুগ্ধ করেছিলো।
অনেকদিন আগেই দেখেছিলাম, আজ দু'কলম লিখলাম।
যারা দেখেননি আপনারাও দেখতে পারেন।

Happy Watching

MAD MAX Fury Road (2015) মুভি রিভিউ


                                     


যে ছবিটি নিয়ে আজ বলবো তা অবশ্য ২০১৫ তে রিলিজ হয়েছে।তখন ই একবার দেখেছি।কিন্তু কয়দিন হলো আবারো মনে হচ্ছিল সিন গুলির কথা।চট করে ডাউনলোড করে দেখতে বসলাম।এর আগে সাউন্ড বক্স ইউজ করিনি কিন্তু এবার সাউন্ড বক্স লাগিয়ে ছবিটা দেখছিলাম!
কারণ মুভির সাউন্ডটা অসাধারণ।

মুভিটা অবশ্যই অবশ্যই দেখবেন তারা যারা অল্পতেই দিশেহারা হয়ে যান, আর এসির বাতাস খেয়ে মনে করেন আহ কত কষ্ট করলাম জীবনে।
মুভিটিতে অসাধারণ দৃশ্যগুলি এত সুন্দর করে পরিচালক ধারণ করেছেন শক্ত একটা স্ক্রিপ্ট দিয়ে তা বলার বাকি রাখেনা।


শুরু হয় একজন পুরুষের মাধ্যমে যে হলো হিরো মুভির, সে প্রায় সময় ই তার মৃত মেয়েকে সহ আরো কিছু মুখ দেখতে পায়।
সে এমন ও সময় দেখে যে সময় প্রতিপক্ষ তাকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয়।
যাইহোক পাশাপাশি মুভিতে দেখতে পাবেন একজন শক্তিশালী নারী, যে অসাধারণভাবে মুভিতে নিজের অভিনয়কে বিকশিত করেছেন।
অবাককর বিষয় এই যে তার বাম হাতের অর্ধেক ই কাটা।কিন্তু তবুও সে ই একমাত্র নারী যে পুরো মুভিতে হিরো এর চেয়েও শক্ত অভিনয় দেখিয়েছে।

মজার বিষয় এখানে হিরো বা হিরোইন ২জনের মাঝে  কোন সম্পর্ক ই হয়নি।
তবুও তারা হিরো, হিরোইন এখানে।

আর ভিলেইন এর কথা যদি বলি তবে আসলে মুভির গল্প বলা হয়ে যাবে।
শুধু এইটুক বলি যে ভিলেইন হইলো একজন স্বৈর শাসক যে নিজে সহ পারিবারিক ভাবে বিলাসী থেকে নিজ প্রজাদের অভুক্ত রাখে।


তবে এখানে সবচাইতে মজার বিষয় হলো শুরু হয় যুদ্ধটা, নিজেদের জান বাচানো নিয়ে।
কিন্তু শেষটা হয় রিভোল্যুশন  চিন্তা দিয়ে মানে পুরো রাজ্যকেই দখলের ভাবনা দিয়ে।
কেমন হতে পারে সেই সাহসিকতা?
পারবে একজন মেয়ে আধা হাত দিয়ে রাজ্যকে দখল করতে?

Btw খুব মজার একটা সিন আছে যদি আপনি গিটারিস্ট ও ড্রামার  হন খুব অবাক হবেন এখানে গিটারিস্ট ও ড্রামারদের কে যুদ্ধ এর মাঝে কিভাবে উপস্থাপন করা হয়।

Judwwa 2 (2017) মুভি রিভিউ



বলিউডে ইয়াংস্টারদের ভিতরে হাতেগোনা যে কয়জনকে লম্বারেসের ঘোড়া ধরা হয় তার মধ্যে নিসন্দেহে বরুন অন্যতম। তার সাথে যারা ইন্ডাস্ট্রিতে আসছে তাদের অনেকেই লাগাতার ফ্লপ দিয়ে ফুরিয়ে যাওয়ার পথে কিন্তু এই ছেলেটা একের পর এক বক্স অফিস হিট দিয়ে স্বমহিমায় উজ্জ্বল।  স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার এ তার সাথে ডেবুট হইছিলো "সিদ্ধার্থ মালোহত্রার" বাট তার ক্যারিয়ারে এরপরে "এক ভিলেন" আর "কাপুর এন্ড সন'স" বাদে বলার মত ঊল্লেখযোগ্য কিছু নাই বাট বরুনের হিট গুলা দেখেন বাদলাপুর,মে তেরা হিরো,হামটি শার্মাদুলহানিয়া,দিলওয়ালে,ডিসুম,বাদ্রিনাথ কি দুলহানিয়া এখন পর্যন্ত বাকিদের চেয়ে অনেক এগিয়ে এখন পর্যন্ত।

যাইহোক,নতুন মুক্তি পাওয়া "জুড়ওয়া ২" প্রথম দিনেই ১৬ কোটি বিজনেস করে ফেলেছে বক্স অফিসে। এইটা সালমান খানের জুড়ওয়ার অনেকখানি রিমেক বলা যায় কারণ সেই ছবিটার ১২-১৩ টা সিন এইখানেও ইউজ করা হইছে।  ছবিতে বরুন ধাওয়ান এর কমিক টাইমিং পারফেক্ট ছিলো। শাহরুখ খানের ডায়লগ নকলের সীনটাও ভালো লাগবে সবাইর।  কিন্তু তাপসী পান্নু এই টাইপ ছবির সাথে যায়না আসলে ওর জায়গায় ইলিয়ানা/ক্রিতি শ্যাননকে নিলে আরো ভালো হইত। জ্যাকলিন বরাবরের মত গ্ল্যামার এ ভরপুর ছিলো। এইবারও সে প্রমাণ করেছে কিসিং সিনে জ্যাকলিন অদ্বিতীয়।বাকিদের কাজও ভালো ছিলো।মিউজিক ভাল্লাগছে। গানগুলার রিক্রিয়েট ভালো হইছে।আগের গুলার চেয়ে এবারের গুলা ভালো লাগছে বেশী।

বিদ্যা বালান বলেছিলো ফ্লিম খালি তিনটা জিনিসের উপরে চলে এন্টারটেইনমেন্ট,এন্টারটেইনমেন্ট আর এন্টারটেইনমেন্ট আর "জুড়ওয়া ২" এন্টারটেইনমেন্ট এ ভরপুর।

কিন্তু জাস্ট বিনোদনের জন্য দেখবেন লজিক খুজতে গেলে ছবির মজা নস্ট হবে। তাই হাতে ফ্রি টাইম থাকলে নিসন্দেহে দেখে নিন আপনার টাইমটা ভালো কাটবে গ্যারান্টি।

হ্যাপি ওয়াচিং।

SPYDER (2017) মুভি রিভিউ


'
প্রথম কথা হচ্ছে বিশেষ করে থ্রিলার মুভিগুলোর ক্ষেত্রে ভাষা যদি না বুঝা যায় তাহলে সিনেমা টাতে কি ঘটছে তা বুঝা মারাত্বকভাবে অসম্ভব । এদিকে এ আর মুরুগদসের অধিকাংশ মুভিই ভাষা না বুঝার কারনে পুরোপুরি ইনজয় করাও মারাত্বকভাবে অসম্ভব । তবে তার ছবিগুলো যে একেক টা মাস্টারপিস তা বলার অপেক্ষা রাখে না !
'
এ আর মুরুগদসের এ বছরের অন্যতম বড় ধামাকা স্পাইডার । ছবিটি দেখার পর  সত্যি বলতে মূল গল্পটা মোটামুটি মাথায় ঢুকছে আর কি ! তাছাড়া গোটা মুভিটার কিচ্ছু বুঝি নাই !! তবে সম্পুর্ন মুভিটা দেখার পর এটাই বলব যে এই মুভির হিন্দী ডাবড অথবা বাংলা সাব এর জন্য আমি চরমভাবে অপেক্ষায় ।
'
এই মুভিটা নিয়ে বলতে গেলে প্রথমেই আমি বলব এই মুভির অ্যাকশন সিকোয়েন্স । মুভিতে কিন্তু কোন আট দশটা তেলেগু ছবির মত কোপা শামসু টাইপের অ্যাকশন দৃশ্য নাই । তবে এই মুভিতে যে ধরনের অ্যাকশন দৃশ্য দেখানো হয়েছে তা আমার মতে ইন্ডিয়ান সিনেমার অন্যতম সেরা অ্যাকশন দৃশ্য । পুরাই রক্ত ঠান্ডা করে দেওয়ার মত সিকোয়েন্স ।
'
অভিনয়শিল্পীদের পারফরমেন্স বলতে গেলে দুইজনের নামই বলতে হবে কারন এই দুইজনকে নিয়েই পুরো সিনেমাটা । একদিকে সুপারস্টার মাহেশ বাবু তার অন্যান্য ছবিগুলোতে যেভাবে হাজির হয় এই ছবিতেও সেভাবেই তাকে পাওয়া গেছে । আর এ ধরনের চরিত্রে মাহেশ বাবুর চাইতে বেটার না খোজাই ভাল । অন্যদিকে ছবির ভিলেন এস জে সুরিয়ার পারফরমেন্স খুবি প্রশংসনীয় এবং খুব ইনজয়বল ।
'
স্পাইডারের মিউজিক পরিচালনায় ছিলেন হারিস জয়রাজ এবং এ ছবিতে তার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক পুরাই বাও রে বাও !! এক কথায় ছবির বিজিএম সুপার্ব !!
'
এ ছবির দুর্দান্ত ক্লাইম্যাক্স ছবিটাকে অন্য এক লেভেলে নিয়ে গেছে । ক্লাইম্যাক্স সম্পর্কে শুধু একটাই কথা বলব আর তা হচ্ছে পুরাই বেস্ট ! ও আরেকটা কথা ছবির ক্লাইম্যাক্সে মাহেশ বাবু ভিলেন সুরিয়াকে একটা পাঞ্চ মারে সেই দৃশ্যটা রোমান রেইন্সের সুপারম্যান পাঞ্চের চাইতেও মর্মান্তিক ।
'
অবশেষে আবারো বলছি স্পাইডারের হিন্দী ডাবড অথবা বাংলা সাব এর জন্য চরমভাবে অপেক্ষায় আমি ।
'

Once Upon a Time Mumbai (2010) রিভিউ


অজয়, ইমারান হাসমী, কঙ্গনা রানৌত, প্রাচী দেশাই ও রান্দীপ হুডা অভিনীত 28 কোটি বাজেটের এই মুভিটির ততকালীন বক্স অফিস কালেকশন ছিলো ৯৪ কোটি বা তার বেশী।
মুম্বাই আর সুলতান মির্জা। মুম্বাইর সাথে ছোট বেলা থেকেই শুরু সুলতান মির্জার সখ্যতা।
মুম্বাই তার ভালোবাসা, প্রেমীকা। যতো গায়ের কানুনী ধান্ধাই করুক না কেনো কখনো ভালোবাসার শহরকে গান্ধা হতে দেয় নি সুলতান।মুম্বাইর অলি গলি কে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব ছিলো তার।
 প্রশাসনিক বিরোধী কাজ- কর্ম করলেও সমাজ বিরোধী কাজ করতো না কখনো, তাই তো ধীরে ধীরে  মুম্বাইর অসহায়  মানুষগুলোয়  দেবতায়  পরিণীত হয় সুলতান।
মুম্বাই ছাড়াও সুলতানের আরেকটি দুর্বলতা ছিলো। তা হলো ফিল্ম স্টার রেহানা।
অতঃপর এক  দিন  একে অপরের সাথে শুটিং স্পটে দেখা ও ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হওয়া।
মুম্বাই এর আরেক লাগামহীন  চতুর বালক শোয়েব।
বাবা পুলিশ হলেও ছেলে ছোট বেলা থেকে এক দুর্দর্শ চোর। শোয়েবের সপ্ন মুম্বাই শহর একদিন তার হাতের মুঠে করে নেয়া, চাই তা মুম্বাইকে  সহিংস  বা মানুষের লাশ বিছিয়ে হোক না কেনো, অরাজকতার রাজ প্রতিস্থাপনই তার মূল উদ্দেশ্য। এই সপ্ন নিয়ে একদিন শোয়েবের দেখা  সুলতানের সাথে। অতঃপর একে অপরের আস্থা অর্জন ও বন্ধুত্ব। শোয়েব চোর হলেও মুমতাজকে ভালোবাসে মনে প্রাণে।মুমতাজও ভালোবাসে সব কিছু দিয়ে।
 এই মুভিতে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করে রান্দীপ হুডা।
রান্দীপ হুডার অভিনয়  আমার কাছে সবসময় স্পেশাল, এখানেও আমার জন্য তেমনটাই ছিলো।
প্রাচী দেশাই এর অভিনয়ও আপনার ভালো লাগতে পারে।
সবচেয়ে সুন্দর ছিলো মুভির প্রত্যেকটা কথাই যেন একেকটা ডাইলগ।
আপমনি আমার মতো রাহাত ফাতেহ  আলী খানের গান পছন্দ করে থাকলে আপনার জন্য আছে মুভিতে একটি বেশ সুন্দর গান।
চাইলে আপনিও দেখতে পারেন।

October Sky (1999) মুভি রিভিউ



ধরুন আপনার জন্ম এমন এক জায়গায় যেখানকার মানুষের প্রধান পেশা হচ্ছে কয়লা খনিতে কয়লা খনন করা এবং আপনার বাবাও কয়লা খনিতে কাজ করা একজন শ্রমিক । এর বাইরে কোন কিছু করা এখানে অসম্ভব বলে ধরা হয়। কিন্তু আপনি সবার থেকে আলাদা চিন্তা করেন। আপনি জীবনে বড় কিছু হতে চান!  দুনিয়াতে নিজের সাফল্যের পদচিহ্ন আঁকতে চান সব বাধা আর উপহাস অতিক্রম করে। এমনই এক সত্য ঘটনা অবলম্বনে বানানো হয়েছে "October Sky" সিনেমাটি।

১৯৫৭ সালের অক্টোবার মাসে পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ "স্পুটনিক" লঞ্চ হওয়ার পর তা আকাশে বিচরণ করতে দেখে "কোলউড" গ্রামের "হোমার হিকাম" নামে এক স্বপ্নবিলাসী কিশোরের ইচ্ছা জাগে রকেট বানানো শেখার।  যেন একদিন সেও এমন একটা কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরি করতে পারে। সে তার স্বপ্নপূরণে কাজ শুরু করে তার বন্ধুবান্ধব এবং স্কুলের এক ম্যাডামের সহায়তায়। কিন্তু পদে পদে হিকাম তার গ্রামবাসী এবং তার পরিবারের ঠাট্টা-বিদ্রুপের শিকার হয়। তার স্বপ্নপূরণের পথে সবথেকে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় তার বাবা। কেননা তার বাবার ধারণা এইসব ছেলেমানুষি। তার  ইচ্ছা তার ছেলেও তার মত কয়লা খনিতে কাজ করুক বড় হয়ে। কিন্তু হিকামের ছিল অন্য ইচ্ছা। সে তার বন্ধুদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকে তার স্বপ্নপূরণে। চালিয়ে যেতে
থাকে তার রকেট বিষয়ক বিদ্যা।

হিকাম কি শেষমেশ পেরেছিল তার স্বপ্ন পূরণ করতে? জানতে হলে দেখতে হবে এই মুভিটি।
অসম্ভব ইন্সপায়ারিং আর শিক্ষণীয় একটা মুভি এটা। সব বাধা বিপত্তি আর উপহাসের তোয়াক্কা না করে জীবনে এগিয়ে চলে সাফল্য অর্জনের শিক্ষা দেয় এই মুভি।

হোমার হিকাম চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যাক গিল্লেনহ্যাল। হিকামের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্রিস কুপার। এছাড়া  হিকামের বন্ধুর চরিত্রে অভিনয়ে করেছেন ক্রিস ওয়েন,  লি স্কট, উইলিয়াম লিন্ডবার্গ। হিকামের ম্যাডামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন লওরা ডার্ন।

Movie Name: October Sky(1999)
Genre: Biography,Drama,Family
Rotten Tomatoes: 90%
IMDb Rating: 7.8/10 (69k votes)
My Rating: 8.6/10 

IT (2017) মুভি রিভিউ


প্রবাবলি খুব অল্প মুভির মধ্যে 'IT' একটা মুভি যেটাতে এক্সপেক্টেশন হাই থাকার পরেও প্রচুর ভাল্লাগসে!

Hands down the best Stephen King  Live action যেকোনো কিছু.

আজকেই রিলিজ হলো সিনেপ্লেক্স এ।

ফার্স্ট অফ অল সবার ই এই মুভিটা দেখতে যাওয়া উচিত একটা আসল হরর মুভি চিন্তা করে।

 একটা ভয়ংকর ক্লাউন আর কিছু বাচ্চা কাচ্চা নিয়া দেখে বাসার পিচ্চিদের নিয়া দেখা যায় এরকম থ্রিলার টাইপ মুভি কিন্তু না!

বেশ কিছু Gore Type এবং অন্যান্য ডিস্টার্বিং সিন আছে।

আরো কারো যদি কার্স ওয়ার্ড নিয়ে চুলকানি থাকে তাহলেও সমস্যা।  এই মুভিতে প্রচুর এফ ওয়ার্ড ইউজ করা হইছে :3

অনেক এ বাচ্চকাচ্চা নিয়া আসায় ইন্টারমিশন এ সুন্দর মতো উঠে বের হয়ে গিয়েছেন :3

It's a R Rated Movie.
১৫,১৬ বছরের নিচে কারো দেখাই উচিত না এই ছবি (অন্তত বড় পর্দায়)।

কিন্তু সারপ্রাইজিংলি এই মুভি টা টেরিফায়িং হলেও কাওকে ডেট হিসেবে নিয়ে খুব মানিয়ে যাবে।

স্টোরি সামারি হিসেবে বলা যায়

একটা ছোট শহর যেখানে ঠিক ২৭ বছর পর পর অনেক জন ছেলে মেয়ে মিসিং হয়ে যায় তাদের আর খুজে পাওয়া যায় না। ঘটনাচক্রে কিছু টিনএজারস এর লুজারস ক্লাব খুজে পায় এর পেছনে Pennywise The Dancing Clown নামে এক ডেমোনিক এনটিটি আছে।

স্ক্রিপ্ট যে লিখসে সে অসাধারণ একটা কাজ করসে। এক মুহুর্তের জন্যও আপনি পর্দা থেকে চোখ সরাতে পারবেন না।

একটা স্টিফেন কিং এর হরর উপন্যাস শুধুমাত্র হরর এর দিকে কখোনো পুরোপুরি ফোকাস দেয় না। সমাজের বিভিন্ন অসংগতি  তুলে ধরা হয়।

এই মুভি টা এই জিনিসটা খুব ভালো ভাবে করেছে।
ঘটনার নিজস্বতা আমরা খুব কাছ থেকে অনুভব করতে পারি।

এই শুধু স্ক্রিপ্ট হাতে দু কাপ কফির সাথে দিলে অনায়াসে পড়ে এনজয় করা যাবে।

আমি 'IT' মিনি সিরিজ টাও দেখেছিলাম কয়েকদিন আগে। সেখানে মূলত ক্লাউন a.k.a Pennywise এর দিকে ফোকাস করে করা হয়েছে সিরিজ টা।

এই মুভিতে আরো পার্সোনাল একটা স্টোরি দেখা গিয়েছে কিছু ১৪ বছরের ছেলেপেলের।

কাস্ট গুলা খুবই মারাত্নক হইসে। সেকেন্ড চাপ্টার এর কাস্ট ও আশা করি এই কাস্ট এর মান রাখতে পারবে।
বিশেষ করে ' Stranger Things ' এ অভিনয় করা Finn Wolfhard এবং Pennywise এর চরিত্রে Bill Skarsgard অনেক অসাধারণ অভিনয় করেছে।

 Finn এর কমেডিক টাইমিং খুব ভালো ছিলো।
লাস্ট এ এই ক্যারেক্টার এর একটা পাঞ্চ ডায়ালগ থাকে যার জন্য পুরো হল তালি দিতে বাধ্য হয়েছিলো!

Directing and Cinematography was top notch. সেকেন্ড চাপ্টার এর জন্যও এই ডিরেক্টর থাকলে বেস্ট হবে।

'It' is a terrifying story based movie that has Sadness, comedy and rommance too!

ফাইনালি এমন একটা মুভি যা শেষ হওয়ার পর পর চাপ্টার ওয়ান লিখা টা উঠার সাথে সাথে খেয়াল করবেন হলের সবাই তালি দিচ্ছে। যা হরর মুভিতে সচরাচর হয় না।

আমি হয়ত ৮ দিবো ১০ এ এই মুভি কে।

Rotten Tomatoes - 85%

IMDB - 8